1. info@nafvision24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
ককসবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী বার্ষিকী পালিত। ————————- সাখাওয়াত হোসাইন। এদেশের উন্নয়নের মহানায়ক সাবেক রাস্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে শহরকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পরিপালনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মোড়ে এলাকায় দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি ও কৃষক পার্টির কক্সবাজার জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মোশারফ হোসেন দুলাল, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করা হয়।আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব সংহতির কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আল মামুন সিদ্দিকী বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার সভাপতি সিহাব সরোয়ার সাঈদী,শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু সাধারণ সম্পাদক আকতার কামাল সোহেল, যুব সংহতির জেলার সদস্য রিদওয়ানুল হক তানিম উপস্থিত ছিলেন। জেলা জাতীয় কৃষিপার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, স্যারের যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব বিষয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মরা জানে না। আমরা প্রযুক্তির পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সেসব কথা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার জানান, স্যার চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসম্য আনতে। তিনি চেয়েছিলেন উন্নয়নের মূল স্রোত দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে। ধনী-গরীবের বৈষম্য দূর করার জন্য তিনি নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা স্যারের সেসব উদ্যোগ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু বলেন, এরশাদ স্যার ছিলেন একজন মানবিক মানুষ। তিনি একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির সভাপতি নুরুস সফা সাগর বলেন, জীবন্ত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজকাঠামো, রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছিলেন এরশাদ। আমরা তার সেই আদর্শ ও কর্ম সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক বলেন, স্যারের স্বপ্ন ছিল একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সেজন্য তিনি উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল শুধু ঢাকা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে না। সেকারণে তিনি সারাদেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্যারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তাকে স্মরণে রাখতে চাই। সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ জুলাই তার অছিয়ত অনুযায়ী রংপুর মহানগরীর দর্শনার পল্লী নিবাসের লিচু তলায় তাকে সমাহিত করা হয়। ককসবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী বার্ষিকী পালিত। ————————- সাখাওয়াত হোসাইন। এদেশের উন্নয়নের মহানায়ক সাবেক রাস্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে শহরকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পরিপালনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মোড়ে এলাকায় দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি ও কৃষক পার্টির কক্সবাজার জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মোশারফ হোসেন দুলাল, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করা হয়।আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব সংহতির কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আল মামুন সিদ্দিকী বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার সভাপতি সিহাব সরোয়ার সাঈদী,শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু সাধারণ সম্পাদক আকতার কামাল সোহেল, যুব সংহতির জেলার সদস্য রিদওয়ানুল হক তানিম উপস্থিত ছিলেন। জেলা জাতীয় কৃষিপার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, স্যারের যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব বিষয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মরা জানে না। আমরা প্রযুক্তির পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সেসব কথা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার জানান, স্যার চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসম্য আনতে। তিনি চেয়েছিলেন উন্নয়নের মূল স্রোত দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে। ধনী-গরীবের বৈষম্য দূর করার জন্য তিনি নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা স্যারের সেসব উদ্যোগ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু বলেন, এরশাদ স্যার ছিলেন একজন মানবিক মানুষ। তিনি একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির সভাপতি নুরুস সফা সাগর বলেন, জীবন্ত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজকাঠামো, রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছিলেন এরশাদ। আমরা তার সেই আদর্শ ও কর্ম সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক বলেন, স্যারের স্বপ্ন ছিল একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সেজন্য তিনি উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল শুধু ঢাকা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে না। সেকারণে তিনি সারাদেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্যারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তাকে স্মরণে রাখতে চাই। সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ জুলাই তার অছিয়ত অনুযায়ী রংপুর মহানগরীর দর্শনার পল্লী নিবাসের লিচু তলায় তাকে সমাহিত করা হয়। কক্সবাজার এলএ অফিসের ‘শীর্ষ দালাল’ সেলিম ধরা খেলো দুদকের জালে। চকরিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নৌকা ডুবে জেলে নিখোঁজ প্রেমিকার ধর্ষণে গর্ভবতী মামলায় গ্রেপ্তার প্রেমিক লকডাউনে তিনমাস ধরে ধর্ষণ করল বাবা, গর্ভবতী কিশোরী রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ১০ দিনের রিমান্ডে জাপার চেয়ারম্যান ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কক্সবাজার জেলা যুবসংহতি উদ্যোগে। সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৮০হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট ও ৭’শ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ:

টেকনাফের শামলাপুর বাজার যেন মংডু বাজার,কেনা কাটায় রোহিঙ্গাদের হিড়িক

  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২০
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক রিয়াদ,কক্সবাজার প্রতিনিধি :

দেশের করোনা পরিস্থিতি দিন দিন ভয়ংকর আকার ধারণ করতেছে, নিত্যদিন লাশের সারিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম।দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০হাজার ছাড়িয়েছে।

কক্সবাজার জেলায় প্রতিদিন নতুন করে ২০/২৫জন যুক্ত হচ্ছে করোনার রোগী,বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার বিস্তার ঘটায় সবাই এখন সংকিত। এখন পর্যন্ত ৭জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।পাশাপাশি এনজিও কর্মীরা ও আক্রান্ত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ উপজেলার বাহার ছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর বাজার যেন কাটা গায় লবণ দেওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কক্সবাজার ও টেকনাফের শপিংমল গুলো বন্ধ থাকায় কেনাকাটার নতুন কেন্দ্রস্থল এখন উপকূলের একমাত্র বাজার শামলাপুরের দোকান গুলো ।

সরে জমিনে দেখাগেছে,বাজারটির ত্রিমুখী রাস্তা থাকায় পালংখালী, থ্যাংখালীর রোহিঙ্গারা হোয়াক্যং শামলাপুর (ঢালার) পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে শামলাপুর বাজারে আসা যাওয়া করে থাকে, আর বালুখালি, কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা কোটবাজার জালিয়া পালং এলজি সড়ক দিয়ে শামলাপুর বাজারে আসা যাওয়া করে। জানতে চাইলে কয়েকজন রোহিঙ্গা বলেন, বছরে দুইবার ঈদ আসে, সবখানে মার্কেট বন্ধ, তাই এখানে(শামলাপুর) বাজারে আসি আমরা।

শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গাদের একমাত্র কেনাকাটার স্থান এই বাজারটি। সাথে ২৫হাজারের মত স্থানীয় জনগণ রয়েছেন । সব মিলিয়ে উপকূলের এই ছোট্ট বাজারটিতে রাত দিন মানুষের ভিড় জমে থাকা স্বাভাবিক।এখানে, স্বাস্থ সুরক্ষা ও সামাজিক দূরত্বের কোন তোয়াক্কা নেই।

জানতে চাইলে,শামলাপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলী জানান,

আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি,আমাদের যৌথ বাহিনীর টিম পরিস্থিতি নিযন্ত্রণে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মানুষ যতক্ষণ প্রশাসনের সামনে থাকে ততক্ষণ সব নিয়মনীতি মেনে চলে, প্রশাসন চোখের আড়াল হলে আবার, যার যার মত আচরণ করে।তাই জনসচেতনতা ছাড়া পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে।

অত্র ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের দাবি, রোহিঙ্গা তেমন সচেতন নয় , তারা এভাবে অবাধে চলাচল করতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবেনা ত বটেই অত্র ইউনিয়নের জন্য বড় হুমকির কারণ হয়ে দাড়াবে। তাই মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধে চলাফেরা বন্ধ করতে হবে। বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ককসবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী বার্ষিকী পালিত। ————————- সাখাওয়াত হোসাইন। এদেশের উন্নয়নের মহানায়ক সাবেক রাস্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে শহরকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পরিপালনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মোড়ে এলাকায় দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি ও কৃষক পার্টির কক্সবাজার জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মোশারফ হোসেন দুলাল, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করা হয়।আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব সংহতির কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আল মামুন সিদ্দিকী বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার সভাপতি সিহাব সরোয়ার সাঈদী,শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু সাধারণ সম্পাদক আকতার কামাল সোহেল, যুব সংহতির জেলার সদস্য রিদওয়ানুল হক তানিম উপস্থিত ছিলেন। জেলা জাতীয় কৃষিপার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, স্যারের যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব বিষয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মরা জানে না। আমরা প্রযুক্তির পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সেসব কথা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার জানান, স্যার চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসম্য আনতে। তিনি চেয়েছিলেন উন্নয়নের মূল স্রোত দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে। ধনী-গরীবের বৈষম্য দূর করার জন্য তিনি নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা স্যারের সেসব উদ্যোগ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু বলেন, এরশাদ স্যার ছিলেন একজন মানবিক মানুষ। তিনি একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির সভাপতি নুরুস সফা সাগর বলেন, জীবন্ত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজকাঠামো, রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছিলেন এরশাদ। আমরা তার সেই আদর্শ ও কর্ম সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক বলেন, স্যারের স্বপ্ন ছিল একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সেজন্য তিনি উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল শুধু ঢাকা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে না। সেকারণে তিনি সারাদেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্যারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তাকে স্মরণে রাখতে চাই। সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ জুলাই তার অছিয়ত অনুযায়ী রংপুর মহানগরীর দর্শনার পল্লী নিবাসের লিচু তলায় তাকে সমাহিত করা হয়।

ককসবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী বার্ষিকী পালিত। ————————- সাখাওয়াত হোসাইন। এদেশের উন্নয়নের মহানায়ক সাবেক রাস্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে শহরকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পরিপালনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মোড়ে এলাকায় দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি ও কৃষক পার্টির কক্সবাজার জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মোশারফ হোসেন দুলাল, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করা হয়।আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব সংহতির কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আল মামুন সিদ্দিকী বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার সভাপতি সিহাব সরোয়ার সাঈদী,শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু সাধারণ সম্পাদক আকতার কামাল সোহেল, যুব সংহতির জেলার সদস্য রিদওয়ানুল হক তানিম উপস্থিত ছিলেন। জেলা জাতীয় কৃষিপার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, স্যারের যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব বিষয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মরা জানে না। আমরা প্রযুক্তির পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সেসব কথা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার জানান, স্যার চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসম্য আনতে। তিনি চেয়েছিলেন উন্নয়নের মূল স্রোত দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে। ধনী-গরীবের বৈষম্য দূর করার জন্য তিনি নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা স্যারের সেসব উদ্যোগ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু বলেন, এরশাদ স্যার ছিলেন একজন মানবিক মানুষ। তিনি একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির সভাপতি নুরুস সফা সাগর বলেন, জীবন্ত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজকাঠামো, রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছিলেন এরশাদ। আমরা তার সেই আদর্শ ও কর্ম সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক বলেন, স্যারের স্বপ্ন ছিল একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সেজন্য তিনি উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল শুধু ঢাকা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে না। সেকারণে তিনি সারাদেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্যারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তাকে স্মরণে রাখতে চাই। সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ জুলাই তার অছিয়ত অনুযায়ী রংপুর মহানগরীর দর্শনার পল্লী নিবাসের লিচু তলায় তাকে সমাহিত করা হয়।

ককসবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী বার্ষিকী পালিত। ————————- সাখাওয়াত হোসাইন। এদেশের উন্নয়নের মহানায়ক সাবেক রাস্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির উদ্যোগে শহরকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পরিপালনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন মোড়ে এলাকায় দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক, কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ-সভাপতি ও কৃষক পার্টির কক্সবাজার জেলার সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জনাব মোশারফ হোসেন দুলাল, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করা হয়।আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুব সংহতির কক্সবাজার জেলা শাখার সহ-সভাপতি আল মামুন সিদ্দিকী বাহাদুর কক্সবাজার সদর উপজেলার সভাপতি সিহাব সরোয়ার সাঈদী,শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু সাধারণ সম্পাদক আকতার কামাল সোহেল, যুব সংহতির জেলার সদস্য রিদওয়ানুল হক তানিম উপস্থিত ছিলেন। জেলা জাতীয় কৃষিপার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন দুলাল জানান, স্যারের যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব বিষয়ে আজকের তরুণ প্রজন্মরা জানে না। আমরা প্রযুক্তির পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে সেসব কথা তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার জানান, স্যার চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক ভারসম্য আনতে। তিনি চেয়েছিলেন উন্নয়নের মূল স্রোত দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে। ধনী-গরীবের বৈষম্য দূর করার জন্য তিনি নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আমরা স্যারের সেসব উদ্যোগ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। শহর যুব সংহতির সভাপতি নাদিম হায়দার পিয়ারু বলেন, এরশাদ স্যার ছিলেন একজন মানবিক মানুষ। তিনি একটি মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি। কক্সবাজার জেলা যুব সংহতির সভাপতি নুরুস সফা সাগর বলেন, জীবন্ত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী। রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজকাঠামো, রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছিলেন এরশাদ। আমরা তার সেই আদর্শ ও কর্ম সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য অঙ্গিকারাবদ্ধ। জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তারেক বলেন, স্যারের স্বপ্ন ছিল একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। সেজন্য তিনি উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল শুধু ঢাকা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে না। সেকারণে তিনি সারাদেশকে সাতটি প্রদেশে বিভক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। আমরা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্যারের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তাকে স্মরণে রাখতে চাই। সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৬ জুলাই তার অছিয়ত অনুযায়ী রংপুর মহানগরীর দর্শনার পল্লী নিবাসের লিচু তলায় তাকে সমাহিত করা হয়।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব